মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
পদের নাম: কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
১. ভাব সম্প্রসারণ করুন: "বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।" (মান: ০৫)
মূলভাব: সভ্যতা বিনির্মাণে নারী-পুরুষের অবদান সমান। নারী সমাজের অর্ধাংশ, তাই নারীকে বাদ দিয়ে সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সম্প্রসারিত ভাব: সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে নারী-পুরুষ তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় পৃথিবীকে আজকের অবস্থায় উন্নীত করেছে। কিন্তু মানব সমাজ অধিকাংশই পুরুষশাসিত বলতেই গেলে সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকেই পুরুষ জাতি সমাজ শাসন করে আসছে। আর পুরুষশাসিত এ সমাজে নারীকে অন্তঃপুরে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে, নারীর প্রতিভার কোনো মূল্যায়নই করা হয়নি। সহজভাবে পুরুষ নারীর থেকে শারীরিকভাবে শক্তিশালী। পুরুষ এ বাহুবলের কারণেই নারীদেরকে অবদমিত করে রাখছে, নারীর সকল অবদানকে অস্বীকার করে। সমাজের প্রতিটা স্তরে পুরুষের যেমন অবদান রয়েছে নারীরও অনুরূপ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে কৃষিক্ষেত্রে নারীর অবদান একেবারেই খাটো করে দেখা হয়, যদিও তারা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন। নারীকে কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। কখনো কখনো তাকে কেবল ভোগের সামগ্রী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সমাজে একজন ছেলেকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হয়, একজন মেয়েকে সেভাবে মূল্যায়ন করা হয় না; যদিও সৃষ্টিকর্তার কাছে তাদের কোনো তফাৎ নেই। নর ও নারী অভিন্ন সত্তা; একে অন্যের পরিপূরক। শুধু পুরুষ কিংবা শুধু নারীকে নিয়ে সমাজ কল্পনা করা যায় না। সমাজে পুরুষের যেমন অনেক অবদান রয়েছে, নারীরও তেমনই অবদান রয়েছে; বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীর অবদান অনেক বেশি। একজন শিশু খুবই অসহায় অবস্থায় জন্মলাভ করে। একজন নারীই তাকে মাতৃত্ব দিয়ে লালন-পালন করে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। সৃষ্টির ঊষালগ্ন থেকেই নারী-কন্যা, জায়া-জননী রূপে সর্বদা নরের পাশে থেকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়েছে। দুঃখ-যন্ত্রণায়, বিপদে-আপদে পরম আত্মীয়ের মতো পাশে বসে সান্ত্বনা ও আশার বাণী শুনিয়েছে। নারী তার স্বভাবসুলভ স্নেহ-মায়া, সেবা-যত্ন দিয়ে সমাজকে বিকশিত করছে। কিন্তু নারীর অবদান আজও স্বীকার করা হয় না। নারীকে মনে করা হয় সমাজের পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী হিসেবে। নারীকে অযোগ্য, অকর্মণ্য ভেবে সমাজের মূলস্রোত থেকে দূরে রাখা হয়। কেবল তৃতীয় বিশ্বেই নয় বরং উন্নত বিশ্বেরও অনেক দেশে নারীদের এই অসহায় চিত্র চোখে পড়ে। কিন্তু বিচার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নারীরা কর্ম ও মেধাশক্তিতে পুরুষের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীরা পুরুষের পাশাপাশি রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সকলক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। তাই আজ নারীদের মধ্যে থেকে আমরা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সচিব, অর্থনীতিবিদ, পুলিশ কর্মকর্তা, সেনা কর্মকর্তা, পাইলট, ডাক্তার, প্রকৌশলী ইত্যাদি হতে দেখছি। তারপরও গ্রামাঞ্চলে এখনো অনেক নারী তাদের মৌলিক অধিকারটুকু ভোগ করতে পারছে না। নিরাপত্তা ও ধর্মের দোহাই দিয়ে আমরা তাদেরকে সমাজের পশ্চাৎপদ করে রেখেছি। এ অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন।
মন্তব্য: সমাজের যথার্থ উন্নয়নের জন্য নারীকে অবজ্ঞা নয়, বরং সম্মানের চোখে দেখতে হবে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসই পৃথিবীকে মানুষের বসবাসযোগ্য করে তুলতে পারে।
সম্প্রসারিত ভাব: সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে নারী-পুরুষ তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় পৃথিবীকে আজকের অবস্থায় উন্নীত করেছে। কিন্তু মানব সমাজ অধিকাংশই পুরুষশাসিত বলতেই গেলে সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকেই পুরুষ জাতি সমাজ শাসন করে আসছে। আর পুরুষশাসিত এ সমাজে নারীকে অন্তঃপুরে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে, নারীর প্রতিভার কোনো মূল্যায়নই করা হয়নি। সহজভাবে পুরুষ নারীর থেকে শারীরিকভাবে শক্তিশালী। পুরুষ এ বাহুবলের কারণেই নারীদেরকে অবদমিত করে রাখছে, নারীর সকল অবদানকে অস্বীকার করে। সমাজের প্রতিটা স্তরে পুরুষের যেমন অবদান রয়েছে নারীরও অনুরূপ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে কৃষিক্ষেত্রে নারীর অবদান একেবারেই খাটো করে দেখা হয়, যদিও তারা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন। নারীকে কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। কখনো কখনো তাকে কেবল ভোগের সামগ্রী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সমাজে একজন ছেলেকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হয়, একজন মেয়েকে সেভাবে মূল্যায়ন করা হয় না; যদিও সৃষ্টিকর্তার কাছে তাদের কোনো তফাৎ নেই। নর ও নারী অভিন্ন সত্তা; একে অন্যের পরিপূরক। শুধু পুরুষ কিংবা শুধু নারীকে নিয়ে সমাজ কল্পনা করা যায় না। সমাজে পুরুষের যেমন অনেক অবদান রয়েছে, নারীরও তেমনই অবদান রয়েছে; বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীর অবদান অনেক বেশি। একজন শিশু খুবই অসহায় অবস্থায় জন্মলাভ করে। একজন নারীই তাকে মাতৃত্ব দিয়ে লালন-পালন করে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। সৃষ্টির ঊষালগ্ন থেকেই নারী-কন্যা, জায়া-জননী রূপে সর্বদা নরের পাশে থেকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়েছে। দুঃখ-যন্ত্রণায়, বিপদে-আপদে পরম আত্মীয়ের মতো পাশে বসে সান্ত্বনা ও আশার বাণী শুনিয়েছে। নারী তার স্বভাবসুলভ স্নেহ-মায়া, সেবা-যত্ন দিয়ে সমাজকে বিকশিত করছে। কিন্তু নারীর অবদান আজও স্বীকার করা হয় না। নারীকে মনে করা হয় সমাজের পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী হিসেবে। নারীকে অযোগ্য, অকর্মণ্য ভেবে সমাজের মূলস্রোত থেকে দূরে রাখা হয়। কেবল তৃতীয় বিশ্বেই নয় বরং উন্নত বিশ্বেরও অনেক দেশে নারীদের এই অসহায় চিত্র চোখে পড়ে। কিন্তু বিচার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নারীরা কর্ম ও মেধাশক্তিতে পুরুষের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীরা পুরুষের পাশাপাশি রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সকলক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। তাই আজ নারীদের মধ্যে থেকে আমরা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সচিব, অর্থনীতিবিদ, পুলিশ কর্মকর্তা, সেনা কর্মকর্তা, পাইলট, ডাক্তার, প্রকৌশলী ইত্যাদি হতে দেখছি। তারপরও গ্রামাঞ্চলে এখনো অনেক নারী তাদের মৌলিক অধিকারটুকু ভোগ করতে পারছে না। নিরাপত্তা ও ধর্মের দোহাই দিয়ে আমরা তাদেরকে সমাজের পশ্চাৎপদ করে রেখেছি। এ অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন।
মন্তব্য: সমাজের যথার্থ উন্নয়নের জন্য নারীকে অবজ্ঞা নয়, বরং সম্মানের চোখে দেখতে হবে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসই পৃথিবীকে মানুষের বসবাসযোগ্য করে তুলতে পারে।
২. অর্থসহ বাক্য গঠন করুন: (মান: ০৫)
ক. উড়ো কথা (গুজব): উড়ো কথায় কান না দিয়ে মনোযোগ দিয়ে কাজ করো।
খ. টক্কর দেওয়া (পাল্লা দেওয়া): সব কাজে অন্যের সঙ্গে টক্কর দিতে নেই।
গ. তুবড়ি ছোটা (অপ্রয়োজনীয় কথা বলা): কাজের সময় কিছু বলতে পারো না, অসময়ে তুবড়ি ছোটে।
ঘ. বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ): রহিমের মতো বুদ্ধির ঢেঁকির দ্বারা পরীক্ষায় পাস করা সম্ভব না।
ঙ. ভিটেয় ঘুঘু চড়ানো (সর্বশান্ত করা): এমপি সাহেবের সাথে লাগতে যেও না, তোমার ভিটেয় ঘুঘু চড়িয়ে ছাড়বে।
৩. এককথায় প্রকাশ করুন: (মান: ০৫)
ক. আনন্দ নেই যার - নিরানন্দ
খ. উর্বর নয় যা - ঊষর
গ. একের পরিবর্তে আরেক - বিকল্প
ঘ. জানা যায়নি যা - অজ্ঞেয়
ঙ. প্রাক্কালে ছিল যা - প্রাক্তন
৪. কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করুন: (মান: ০৫)
ক. আমাদের ছাঁদে পানি পড়ে - অধিকরণে ৭মী
খ. কালির দাগ সহজে ওঠে না - সম্বন্ধে ৬ষ্ঠী
গ. চাঁদ বাঁকা তা জানে - কর্তায় শূন্য
ঘ. আমার মনে জ্বলবে - অধিকরণে ৭মী
ঙ. ঘরেরতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে - অধিকরণে ৭মী
৫. সন্ধি বিচ্ছেদ করুন: (মান: ০৫)
ক. পিত্রালয় = পিতৃ + আলয়
খ. প্রতীক্ষা = প্রতি + ইক্ষা
গ. নাবিক = নৌ + ইক
ঘ. যশোভাভ = যশঃ + লাভ
ঙ. বনস্পতি = বন + পতি
৬. Write a paragraph on 'Science in everyday life' (মান: ১০)
Science in everyday life
Science plays an important part in our daily life. The first thing that cheers us in the morning every day is tea, and it is science that has given us this stimulating drink. Then comes the newspaper to satisfy our hunger for information, and it is also a product of science. The items of news are gathered from all over the world through scientific processes such as telex, fax, and e-mails. They are then printed on a mass scale in printing presses. The paper on which these are printed are produced from pulps by science. Then come meals, all materials of which are the products of agricultural science. They are made available to us through trains, trucks and ships which are all great scientific inventions. The clothes we wear, waterproof that shields us from rain, shoes that protect our feet are all manufactured by machines invented by the power of science. The transport we use – buses, trams, trains, cars or cycles all are the blessings of science. On returning home, we relax in front of TV and radio and sometimes we go to the cinema. There are electric lights, fans, cookers, refrigerators to make home life enjoyable and comfortable. Telephones and e-mails establish instant communication with our near and dear ones. We have now good medicines for many diseases which were fatal only a few years back. Thanks to science for giving us all these to make our life comfortable.
Science plays an important part in our daily life. The first thing that cheers us in the morning every day is tea, and it is science that has given us this stimulating drink. Then comes the newspaper to satisfy our hunger for information, and it is also a product of science. The items of news are gathered from all over the world through scientific processes such as telex, fax, and e-mails. They are then printed on a mass scale in printing presses. The paper on which these are printed are produced from pulps by science. Then come meals, all materials of which are the products of agricultural science. They are made available to us through trains, trucks and ships which are all great scientific inventions. The clothes we wear, waterproof that shields us from rain, shoes that protect our feet are all manufactured by machines invented by the power of science. The transport we use – buses, trams, trains, cars or cycles all are the blessings of science. On returning home, we relax in front of TV and radio and sometimes we go to the cinema. There are electric lights, fans, cookers, refrigerators to make home life enjoyable and comfortable. Telephones and e-mails establish instant communication with our near and dear ones. We have now good medicines for many diseases which were fatal only a few years back. Thanks to science for giving us all these to make our life comfortable.
৭. Fill in the blanks: (মান: ০৫)
ক. He will be here ... a month. Ans: for
খ. He accused me ... theft. Ans: of
গ. We are sorry ... death. Ans: for/about
ঘ. She bursts ... tears. Ans: into
ঙ. We should guard ... danger. Ans: against
৮. Write the correct sentences: (মান: ০৫)
ক. Incorrect: We shall discuss about the matter.
Correct: We shall discuss the matter.
Correct: We shall discuss the matter.
খ. Incorrect: He lives in the boarding.
Correct: He lives in the boarding house.
Correct: He lives in the boarding house.
গ. Incorrect: He reposed to the bed.
Correct: He reposed on the bed.
Correct: He reposed on the bed.
ঘ. Incorrect: He dabbled on politics.
Correct: He dabbled in politics.
Correct: He dabbled in politics.
ঙ. Incorrect: He saw a dream last night.
Correct: He dreamt a dream last night.
Correct: He dreamt a dream last night.
৯. Translate into English: (মান: ০৫)
ক. সদরঘাট ঢাকার দক্ষিণে। Ans: Sadarghat is in the south of Dhaka.
খ. পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায়। Ans: Ill got, ill spent.
গ. নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। Ans: A bad workman quarrel with his tools.
ঘ. সে শুধু বোকা নয়, বাচালও বটে। Ans: He is not only foolish, but also talkative.
ঙ. তাহার পিতা মুমূর্ষু অবস্থায়। Ans: His father is about to die.
১০. সংক্ষিপ্ত উত্তর দিন: (মান: ১০)
ক. দক্ষিণ এশিয়ার সর্বপ্রথম টানেল কোথায় অবস্থিত? উত্তর: কর্ণফুলী নদীর তলদেশ, চট্টগ্রাম
খ. IAEA-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? উত্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
গ. হার্ডিঞ্জ ব্রিজের দৈর্ঘ্য কত? উত্তর: ১.৮ কি.মি.
ঘ. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন? উত্তর: ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
ঙ. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ কোনটি? উত্তর: মহেশখালী দ্বীপ, কক্সবাজার
চ. 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' কার লেখা? উত্তর: অ্যালেন গিন্সবার্গ
ছ. 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত? উত্তর: শেরে বাংলা নগর, আগারগাঁও (ঢাকা)
জ. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী কোনটি? উত্তর: নীল নদ
ঝ. ক্রিমিয়া কোথায় অবস্থিত? উত্তর: কৃষ্ণ সাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত (রাশিয়া)
ঞ. পূর্ণরূপ লিখুন: BBC, SPARSO
BBC: British Broadcasting Corporation
SPARSO: Space Research and Remote Sensing Organization
BBC: British Broadcasting Corporation
SPARSO: Space Research and Remote Sensing Organization
১১. একটি লঞ্চে যাত্রী সংখ্যা ৪৭। মাথাপিছু কেবিনের ভাড়া ডেকের ভাড়ার দ্বিগুণ। ডেকের ভাড়া মাথাপিছু ৩০ টাকা এবং মোট ভাড়া প্রাপ্তি ১৬৮০ টাকা হলে কেবিনের যাত্রী সংখ্যা কত? (মান: ৫)
সমাধান:
মনেকরি, কেবিনের যাত্রী সংখ্যা = x জন
∴ ডেকের যাত্রী সংখ্যা = (৪৭ - x) জন
দেওয়া আছে, ডেকের ভাড়া মাথাপিছু = ৩০ টাকা
∴ কেবিনের ভাড়া মাথাপিছু = ৩০ × ২ = ৬০ টাকা
প্রশ্নমতে,
৩০(৪৭ - x) + ৬০x = ১৬৮০
⇒ ১৪১০ - ৩০x + ৬০x = ১৬৮০
⇒ ৩০x = ১৬৮০ - ১৪১০
⇒ ৩০x = ২৭০
⇒ x = ৯
∴ কেবিনের যাত্রী সংখ্যা ৯ জন।
মনেকরি, কেবিনের যাত্রী সংখ্যা = x জন
∴ ডেকের যাত্রী সংখ্যা = (৪৭ - x) জন
দেওয়া আছে, ডেকের ভাড়া মাথাপিছু = ৩০ টাকা
∴ কেবিনের ভাড়া মাথাপিছু = ৩০ × ২ = ৬০ টাকা
প্রশ্নমতে,
৩০(৪৭ - x) + ৬০x = ১৬৮০
⇒ ১৪১০ - ৩০x + ৬০x = ১৬৮০
⇒ ৩০x = ১৬৮০ - ১৪১০
⇒ ৩০x = ২৭০
⇒ x = ৯
∴ কেবিনের যাত্রী সংখ্যা ৯ জন।
১২. উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন: 8a3 + b3/27 (মান: ৫)
সমাধান:
8a3 + b3/27
= (2a)3 + (b/3)3
= (2a + b/3) { (2a)2 - 2a · b/3 + (b/3)2 }
= (2a + b/3) (4a2 - 2/3ab + b2/9)
8a3 + b3/27
= (2a)3 + (b/3)3
= (2a + b/3) { (2a)2 - 2a · b/3 + (b/3)2 }
= (2a + b/3) (4a2 - 2/3ab + b2/9)
১৩. a2 - 2a + 1 = 0 হলে a8 - 1/a8 এর মান নির্ণয় কর। (মান: ৫)
সমাধান:
দেওয়া আছে,
a2 - 2a + 1 = 0
⇒ a2 + 1 = 2a
⇒ (a2 + 1)/a = 2
⇒ a + 1/a = 2
এখন, a - 1/a = √[(a + 1/a)2 - 4 · a · 1/a]
= √(22 - 4) = √(4 - 4) = √0 = 0
প্রদত্ত রাশি = a8 - 1/a8
= (a4)2 - (1/a4)2
= (a4 + 1/a4) (a4 - 1/a4)
= (a4 + 1/a4) (a2 + 1/a2) (a2 - 1/a2)
= (a4 + 1/a4) (a2 + 1/a2) (a + 1/a) (a - 1/a)
= (a4 + 1/a4) (a2 + 1/a2) (2) (0)
= 0
দেওয়া আছে,
a2 - 2a + 1 = 0
⇒ a2 + 1 = 2a
⇒ (a2 + 1)/a = 2
⇒ a + 1/a = 2
এখন, a - 1/a = √[(a + 1/a)2 - 4 · a · 1/a]
= √(22 - 4) = √(4 - 4) = √0 = 0
প্রদত্ত রাশি = a8 - 1/a8
= (a4)2 - (1/a4)2
= (a4 + 1/a4) (a4 - 1/a4)
= (a4 + 1/a4) (a2 + 1/a2) (a2 - 1/a2)
= (a4 + 1/a4) (a2 + 1/a2) (a + 1/a) (a - 1/a)
= (a4 + 1/a4) (a2 + 1/a2) (2) (0)
= 0
১৪. ক্রিকেট খেলায় সাকিব, মুশফিকুর ও মাশরাফি ১৭১ রান করলো। সাকিব ও মুশফিকুরের এবং মুশফিকুর ও মাশরাফির রানের অনুপাত ৩ : ২ হলে কে কত রান করেছে? (মান: ৫)
সমাধান:
সাকিব : মুশফিকুর = ৩ : ২ = (৩ × ৩) : (২ × ৩) = ৯ : ৬
মুশফিকুর : মাশরাফি = ৩ : ২ = (৩ × ২) : (২ × ২) = ৬ : ৪
∴ সাকিব : মুশফিকুর : মাশরাফি = ৯ : ৬ : ৪
অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৯ + ৬ + ৪ = ১৯
সাকিব করেছে = (১৭১ × ৯/১৯) = ৮১ রান
মুশফিকুর করেছে = (১৭১ × ৬/১৯) = ৫৪ রান
মাশরাফি করেছে = (১৭১ × ৪/১৯) = ৩৬ রান
সাকিব : মুশফিকুর = ৩ : ২ = (৩ × ৩) : (২ × ৩) = ৯ : ৬
মুশফিকুর : মাশরাফি = ৩ : ২ = (৩ × ২) : (২ × ২) = ৬ : ৪
∴ সাকিব : মুশফিকুর : মাশরাফি = ৯ : ৬ : ৪
অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৯ + ৬ + ৪ = ১৯
সাকিব করেছে = (১৭১ × ৯/১৯) = ৮১ রান
মুশফিকুর করেছে = (১৭১ × ৬/১৯) = ৫৪ রান
মাশরাফি করেছে = (১৭১ × ৪/১৯) = ৩৬ রান

0 Comments